বর্জ্য অপসারণে চমক দেখানোর পথে দুই সিটির মেয়র

বর্জ্য অপসারণে চমক দেখানোর পথে দুই সিটির মেয়র

বর্জ্য অপসারণে চমক দেখানোর পথে দুই সিটির মেয়র

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের চমক দেখাতে যাচ্ছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। ঈদের আগে তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর সব কোরবানির বর্জ্য অপসারণের প্রতিশ্রুতি দেন। তারা বলেন, নগরবাসীর সহায়তা পেলে ২৪ ঘণ্টার নির্ধারিত সময়ের আগেই বর্জ্য অপসারণ সম্ভব।
প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে শনিবার দুপুর থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য অপসারণের কাজে নেমে পড়েন দুই সিটি করপোরেশনের ১৭ হাজারেরও বেশি পরিচ্ছন্নতাকর্মী। একই সঙ্গে বর্জ্য অপসারণের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে সাড়ে সাতশর বেশি ছোট-বড় গাড়ি। ওয়ার্ড কমিশনারদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওতাধীন পাড়া-মহল্লার অলিগলি থেকে রাজপথ সর্বত্র চষে বেড়াচ্ছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। ফলে বিকেলের মধ্যে বর্জ্য অপসারণে দৃশ্যমান চিত্র চোখে পড়ে।
লালবাগের বাসিন্দা আজমত আলী বলেন, আজ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অলিগলি চষে বেড়াতে দেখেছি। বর্জ্য অপসারণে সারাদিন তারা ব্যস্ত সময় পার করেছেন। অতীতে কখনও এত ছোট-বড় গাড়ি নিয়ে বর্জ্য অপসারণের চিত্র দেখিনি।
ধানমন্ডির বাসিন্দা সোলায়মান হোসেন বলেন, এবার একটু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখলাম। সিটি করপোরেশনের কর্মীরা রাস্তায় বড় বড় ডাস্টবিন বসিয়ে পাড়া-মহল্লা থেকে ছোট ছোট বাহনে বর্জ্য এনে সেখানে ফেলেন। পরবর্তীতে বড় গাড়িতে করে ডাস্টবিনগুলো সরিয়ে নেয়া হয়। খুবই দ্রুততার সঙ্গে তারা কাজটি সম্পন্ন করেন।
সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার নগরবাসী যত্রতত্র পশু জবাই এবং সেগুলোর বর্জ্য ফেলে রাখেননি। তারা নিজেরাই সচেতন হয়ে বর্জ্য বস্তায় ভরে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখছেন। ফলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজও সহজ হচ্ছে, কষ্টও কম হচ্ছে।

0/Post a Comment/Comments

নবীনতর পূর্বতন