টাকার বিনিময়ে ড্যাব নেতাকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

টাকার বিনিময়ে ড্যাব নেতাকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

টাকার বিনিময় ড্যাব নেতাকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

ওবায়দুল হক খানঃ মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ড্যাব নেতা রিজেন্টের শাহেদ করিমের অনুগত ডা. মো.হানিফকে ঢাকা শিশু হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে এক বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অনলাইন Zoom মিটিং এ তাড়াহুড়ো করে এ চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগের অবৈধ কাজটা করেছেন। ঢাকা শিশু হাসপাতাল ব্যাবস্থাপনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ,পরিচালনা
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, CHRF ও ব্যবস্থাপনা বোর্ড সদস্য অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচা সদস্য অধ্যাপক ডা মোয়াজ। সিন্ডিকেটের অপকর্ম চালাতে সম্পুর্ন অবৈধ ভাবে অার্থিক লেন দেনের মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এই ডাক সাইডের ড্যাব নেতা ডা. মো. হানিফকে শিশু হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগ অধ্যাপক এক বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ২৯/০৬/২০২০ তাং এ ৬৫ বছর পূর্ন হওয়ায় অবসর প্রদানের পর তাকে এক বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয় সম্পুর্ন নিয়ম ভঙ্গ করে।অনলাইন Zoom মিটিং এ তাড়াহুড়ো করে। যা কোনভাবেই হাসপাতালের স্বার্থের জন্যে নয়। এটি সম্পূর্ন রুপে দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষার জন্য এ অপকর্মটি করা হয়েছে। জনস্রতি রয়েছে ড্যাব নেতা ডা. মো. হানিফ,অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ,অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন ও অধ্যাপক ডাঃ মোয়াজের সাথে রিজেন্ট হাসপাতাল তথাকথিত চেয়ারম্যান বিশ্ব মানবতা বিরোধী বাটপার প্রতারক শাহেদ করিমের সঙ্গে বিএনপি জামাত জোট সরকারের অামল থেকে সখ্যতা রয়েছে। উল্লেখ্য ডা. হানিফ (সাবেক সভাপতি,ড্যাব,ঢাকা শিশু হাসপাতাল শাখা) ড্যাব এর উপরের সারির নেতা, বিএনপি’র অন্যতম ডোনার। উনি বরাবরই টাকার বিনিময়ে এইভাবে নিয়মবহির্ভূত কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন শিশু হাসপাতালে। অথচ পূর্বের ৩/৪ জন সরকার পক্ষের (স্বাচিপ) অধ্যাপকের চাকুরীর বয়স সীমা অতিক্রম করায় চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ প্রদান প্রথা বাতিল করা হয়। আওয়ামী সরকার পন্থী অধ্যাপক বৃন্দদের কে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়নি। সরকার পন্থী অধ্যাপকদের নিকট থেকে আর্থিক সুবিধা পাননি বলে কি চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করেননি বলে জানা যায়। বর্তমান ব্যবস্থাপনা বোর্ড, ঢাকা শিশু হাসপাতাল াএকটি Resolution করেন যাতে উল্লেখ আছে ৬৫ বছর চাকুরীর পর কোন ব্যাক্তি বা চিকিৎসককে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হইবে না। এই নিয়মটি থাকার পরও কোন কারনে, কোন নিয়মে বা কোন ক্ষমতাবলে ড্যাব এর অধ্যাপক ডা. হানিফকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। এমনকি অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ এমপি কেও সম্পূর্ণ নিয়মবহিরভূত ভাবে পরিচালক পদ থেকে অপসারন করে বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ শফি আহমেদ মোয়াজ ক্ষমতা জোরপূর্বক গ্রহন করেন। ঐ সময়ে চতুর ডা. মোয়াজ তৎকালীন চেয়ারম্যান এর অনধিকার ক্ষমতা প্রয়োগ করে কাজটি করে নিতে সক্ষম হন। একই ভাবে আরো একজন প্রতিষ্ঠাতা ড্যাব সদস্য ও অন্যতম ডোনার ডা. মাহফুজা হুসেইন, কনসালট্যান্ট(স্কীন এন্ড ভিডি), ঢাকা শিশু হাসপাতাল এর চাকুরী ৫৯ বছর বয়সে অবসর গ্রহনে যাওয়ার সময়ে তাকে টিচিং পোষ্ট নামে দূরভিস্বন্ধিমূলক ভাবে বিশেষ বিবেচনায় স্ববেতনে সহকারী অধ্যাপক পদ মর্যাদায় নিয়োগ প্রদান করেন। কেন সহকারী অধ্যাপক পদ দেয়া হলো তা নিম্নোক্ত বিষয়টি আলোচনায় আনিলে পরিস্কার হবে: ১। পোষ্টের নামে সহকারী অধ্যাপক প্রদান করায় তার চাকুরীর বঁযস সীমা ৫৯ বছর থেকে ৬৫ বছরে নিয়ে যাওয়া হলো। নিয়মানুযায়ী কনসালট্যান্ট গন ৫৯ বছরে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহন করেন। এইখানে তাকে সহকারী অধ্যাপক প্রদান করায় তার চাকুরীর বয়স সীমা ৬৫ বছর করা হলো এবং স্ববেতনে। কতোটা চতুরতার আশ্রয় গ্রহন করা হয়েছে একবার ভাবুন: সহকারী অধ্যাপকের বেতন স্কেল সর্ব সাকুল্যে ৫৫ হাজার টাকা, অথচ ডা. মাহফুজা বেতন পাবেন প্রায় এক লক্ষ টাকার কাছাকাছি( আনুমানিক)। তার অর্থ দাঁড়ালো তার চাকুরীর মেয়াদ বৃদ্ধি পেলো ৬ বছর, এতে সরকারের তথা শিশু হাসপাতালের আর্থিক ক্ষতির পরিমান আনুমানিক প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। অথচ শিশু হাসপাতাল গত জুলাই মাসে স্বাস্হ্য কর্মীদের বেতন এই প্রথম ৪ তাং এ প্রদান করা হয় অর্থাভাবের কারনে। সেইখানে কার স্বার্থে, কেন এই ভাবে নিয়মভঙ করে তার চাকুরীসীমা বৃদ্ধি করে হাসপাতালের অর্থের বিনাশ করা হলো। হাসপাতাল এ কথিত আছে ডা. মাহফুজা বড় অংকের টাকার বিনিময়ে এই সুবিধাটি বাগিয়ে নিয়েছেন, এর সাথে পরিচালক ও CHRF এর ড. সমির কুমার সাহা জড়িত। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য উনি( ডা. হানিফ) অধ্যাপক সমির কুমার সাহা’র CHRF এর একজন পরিচালক এবং হালুয়া রুটির ভাগ- বাঁটোয়ার এর অন্যতম সদস্য। সমির কুমার সাহা শিশু হাসপাতালের বোর্ডের ও একজন সদস্য। সমির কুমার সাহা নিজের স্বার্থোন্মত্ত হয়ে সরকারবিরোধী একজন ডাকসাইটে এই নেতা ডা. হানিফকে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ প্রদানে সহযোগিতা করেছেন একটি সিন্ডিকেট। স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অনধিকার প্রয়োগে লিপ্ত হয়েছেন এই সিন্ডিকেটটি। সিন্ডিকেটের প্রধান ব্যক্তি হলেন ১।অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ: চেয়ারম্যান,ব্যাবস্থাপনা বোর্ড, ঢাকা শিশু হাসপাতাল । ২। অধ্যাপক ড. সমির কুমার সাহা: সদস্য, ব্যবস্থাপনা বোর্ড, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, CHRF ৩। অধ্যাপক ডা. রুহুল আমিন: সদস্য, ব্যবস্থাপনা বোর্ড, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও পরিচালক, CHRF( child health research foundation) এই সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য ড. সমির কুমার সাহা বর্তমানে ঢাকা শিশু হাসপাতাল মাইক্রোবায়োলজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হওয়া স্বত্বেও কিভাবে আরেকটি সংস্থার প্রধান হয়ে কর্মরত আছেন( যেমন তিনি CHRF এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর পদেও কাজ করছেন)। যা আইনত: সম্পূর্ণ অবৈধ ও অপরাধযোগ্য)। যদি ডা. সাবরিনাকে জিকেজি গ্রুপের চেয়ারম্যান হওয়ায় এনআইসিভিডির রেজিষ্ট্রার পদ থেকে বহিস্কার করা হয়, তাহলে ড.(ডক্টর) সমির কুমার সাহাকে কেন শিশু হাসপাতাল থেকে বহিস্কার করা হবে না!? তিনিও তো শিশু হাসপাতালে বসে অন্য আরো কেমিক্যাল এর ব্যাবসা সহ যাবতীয় কমিশন

0/Post a Comment/Comments

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো